Breaking News

দোয়ারাবাজারে প্রাইমারী স্কুল বন্ধ রেখে পতাকা উত্তোলনের দায়ে শিক্ষকে শোকজ


দোয়ারাবাজারে প্রাইমারী স্কুল বন্ধ রেখে পতাকা উত্তোলনের দায়ে শিক্ষকে শোকজ


সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার পুরান বাঁশতলা সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সকল সহকারী শিক্ষককে সরকারি নির্দেশনা অমান্যা করে ১৭ মে (শনিবার) জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা অবস্থায় স্কুল বন্ধ রাখার দায়ে সকল সহকারী শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। 

আরও পড়ুনঃ কুড়িগ্রামের রৌমারীতে নদী দখল করে ভবন নির্মাণ

স্কুলের মাঠে উড়ছে জাতীয় পতাকা, নেই কোন শিক্ষক-শিক্ষার্থী' শিরোনামে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে রবিবার (১৮ মে) এই স্কুল শিক্ষকদের উপর শোকজ করা হয়।

আরও পড়ুনঃ ভিজিএফের হতদরিদ্রের তালিকায় ১৮৪০ শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও সচ্ছল পরিবার

রবিবার দুপুরে সাংবাদিকদের নিকট বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দোয়ারাবাজার উপজেলা শিক্ষা অফিসার পঞ্চানন কুমার সানা। 

শোকজে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী শনিবার জাতীয় পতাকা উত্তোলন অবস্থায় বিদ্যালয়টি তালাবদ্ধ  দেখতে পাওয়া যায়। ইহা হতে প্রতিয়মান হয় যে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের উপর অর্পিত কর্তব্য কর্মের উপর চরম অবহেলা ও উদাসীনতা প্রদর্শন করেছেন।  যে কারণে তাদের বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট সুপারিশ করা হবে না, তার সন্তোষজনক জবাব আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে দিতে বলা হয়েছে।


শোকজ পাওয়া শিক্ষকরা হলেন,উপজেলার পুরান বাঁশতলা সরকারি প্রাঃ বিদ্যাঃ প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবু হানিফা ও সহকারী শিক্ষকগণ।

গতকাল শনিবার  উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের পুরান বাঁশতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুপুর ১ টার দিকে গিয়ে দেখা যায় স্কুলে তালা ঝুলছে।তবে টানানো রয়েছে জাতীয় পতাকা। এতে একাধিক অভিভাবকের বক্তব্য নিলে তারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা বলেন, স্কুলে নিয়মিত আসেন না প্রধান শিক্ষকসহ সহকারী শিক্ষকগণ। প্রায় দিনই স্কুল থাকে তালাবদ্ধ। বিগত সরকারের আমলে স্কুলের প্রধান শিক্ষক স্কুল ফাঁকি দিয়ে রাজনৈতিক সভাসমাবেশে যোগ দেওয়ার অনেক অভিযোগ রয়েছে। প্রধান শিক্ষক আবু হানিফ বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন বাংলাবাজার ইউনিয়ন শাখার আহ্বায়ক থাকায় বিগত দিনে রাজনীতির মাঠে খুবই সরব ছিলেন।

জানতে চাইলে, 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পঞ্চানন কুমার সানা বলেন, ‘নোটিশে স্কুলের পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রেখে কেনো জাতীয় পতাকা স্কুলে উত্তোলন রাখা হয়েছে সে বিষয়ে জানতে ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষককে ৭ কার্য দিবসের মধ্যে পৃথকভাবে লিখিত জবাবে উপযুক্ত কারণ দর্শাতে না পারলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


No comments