Breaking News

ব্রহ্মপুত্রের তীব্র ভাঙন, ভিটে হারিয়ে নিঃস্ব শতাধিক পরিবার


ব্রহ্মপুত্রের তীব্র ভাঙন, ভিটে হারিয়ে নিঃস্ব শতাধিক পরিবার

কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলায় তীব্র স্রোতের কারণে আবারো ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে শতশত একর ফসলি জমি ও বসতবাড়ি নদের গর্ভে বিলীন হচ্ছে। 

আরও পড়ুনঃ কুড়িগ্রামে এইচএস‌সির ১ম দিনে অনুপস্থিত তিন শতাধিক, ব‌হিষ্কার ২

শুক্রবার (২৭ জুন) কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপলোর বন্ধবেড় ও চরশৗলমারী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে ১৩টি গ্রামের ৩৯টি বসতবাড়ি, মসজিদ, রাস্তাঘাটসহ শতাধিক একর ফসলি জমি ব্রহ্মপুত্র নদে বিলীন হয়েছে এবং হুমকির মুখে পড়েছে  নদীপাড়ের প্রায় শতাধিক ঘড়বাড়ি, মসজিদ, রাস্তাঘাটসহ কয়েকশ একর ফসলি জমি।

আরও পড়ুনঃ  কুড়িগ্রামে ২,২২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নদী শাসনে স্বস্তিতে মানুষ


 এদিকে ব্রহ্মপুত্র নদের অস্বাভাবিক ভাঙ্গনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে নদের তীরবর্তী এলাকার মানুষ। তবে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, বরাদ্দ না থাকায় ভাঙন কবলিত এলাকাগুলোতে কাজ করতে পারছি না। 

সোনাপুর গ্রামের নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত ইউনুস আলী, তানজিম সরোয়ারবলেন, বাপ-দাদার যেটুকু জায়গা ছিল তা নদীতে ভেঙ্গে গেছে। আমার আর কিছুই নাই। এখন পর্যন্ত কোনো সাহায্য পাই নাই। 

চর শৌলমারী ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কেএম ফজলুল হক মন্ডল বলেন, আবারো ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে অনেক জমি, রাস্তা ঘাট ভেঙ্গে নদীতে গেছে। দ্রুত নদীভাঙ্গন রোধের কাজ না করলে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। সরকারের কাছে আমাদের জোরদাবী ব্রহ্মপুত্র নদীটির ভাঙ্গনরোধে জরুরিভাবে ব্যবস্থা নিবেন। 

চরশৌলমারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান একেএইচএম সাইদুর রহমান দুলাল বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন দিনে দিনে তীব্র হচ্ছে। গত একমাসে চরশৌলমারী ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম, মসজিদ, রাস্তাঘাটসহ শতশত একর ফসলি জমি ব্রহ্মপুত্র নদে বিলীন হয়ে গেছে। এতে করে চরশৌলমারী ইউনিয়নটি রৌমারী উপজেলার মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করছি

কুড়িগ্রাম জেলা পানিউন্নায়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো.রাকিবুল হাসান বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদের বামতীর ব্যাপক হারে ভাঙ্গছে । বরাদ্দ না থাকায় ভাঙন এলাকাগুলোতে কিছুই করতে পারছি না। তবে এ নদী শাসনের জন্য প্রকল্প প্রস্তাবনা দেওয়া আছে বরাদ্দ আসলেই কাজ করা হবে।

আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

No comments