Breaking News

প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন ও অবৈধ সেল সেন্টার ,লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরও ব্যবস্থা নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ

প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন ও অবৈধ সেল সেন্টার ,লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরও ব্যবস্থা নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ

চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে অবৈধভাবে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার বালু উত্তোলন করে বাণিজ্য করে আসছে একটি সিন্ডিকেট। 

আরও পড়ুনঃ কুড়িগ্রামে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় মাদকমুক্ত করার অঙ্গীকার

যার কারণে বিভিন্ন উপজেলায় জেলা প্রশাসন থেকে বৈধভাবে বিভিন্ন বালি মহাল  যারা ইজারা নিয়েছে তারা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। অবৈভাবে বালু উত্তোলনের কারণে সরকার কয়েক কোটি টাকার রাজস্ব হচ্ছে। অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের বিষয়ে বৈধ ইজারাদারদের পক্ষ থকে জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ, জেলা পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হলেও অবৈধ বালি উত্তোলনকারীর ও অবৈধ সেল সেন্টার এর বিরুদ্ধে কোন ধরণের ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে ইজারাদারদের অভিযোগ। অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়ে প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এলাকায় যে কোন সময় প্রান হানির ঘটনাও ঘটতে পারে। লোহাগাড়া উপজেলার জামছড়ি

  বালু মহালের সরকারি ইজারাদার  মোঃ ইমতিয়াজ ফারুকী, অভিযোগে আরো বলেন এলাকার চিহ্নিত কিছু কিশোর গ্যাং  লিডাররা বিভিন্নভাবে অনৈতিক প্রস্তাব দেয়া সহ ফেসবুকে নানাভাবে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে যা ইজারাদারী প্রতিষ্ঠানের মানকূণ্য এবং প্রশাসনিক বিভ্রন্তকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।উপজেলার আমিরাবাদ পুর্ব হাজার বিঘা এলাকার ছিদ্দিক আহমদের পুত্র আজিজুর হক (৩২),   কিশোর গ্যাং লিডার আবরার  হোসাইন সাঈদি (২৫), মোঃ আবু বক্কর (২০), মোঃ আরফাত হোসাইন (২৩),  তারা উপজেলার পদুয়া তেওয়ারী খিল এলাকার বাসিন্দা।  উপজেলার আমিরাবাদ এলাকার তারেক উদ্দিন (২৪) মোহাম্মদ শহিদ (৩৩)সহ অজ্ঞাতনামা ১৫/২০জন ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী গ্রুপ গত ১৪ জুন বিকাল সাড়ে তিনটায় পদুয়ার তেওয়ারীখিল জামছড়ি খালের সরকারি ইজারাকৃত বালু মহালে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে তারা ব্যবসা করতে দিবে না অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে তারা হামলা চালায়। এ ঘটনায় উল্লেখিত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে গত  ২৫ জুন পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ। এর আগেও বালু উত্তোলন করতে গিয়ে ইজারাদারকে সন্ত্রাসীরা হুমকির ঘটনায় জেলা প্রশাসকের গত ২২ মে, গত ২২ জুন আরও একটি অভিযোগ করা হয়। এছাড়া অবৈধ বালু মহালের বিষয়ে তথ্য দিয়ে উপজেলার ১১ টি পয়েন্টে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে বিক্রি করার বিয়ষটি জেলা প্রশাসককে জানানো হলে জেলা  প্রশাসক  লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন অবৈধ বালু মহাল ও বিক্রি কেন্দ্রগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য লোহাগাড়া উপজেলার জামছড়ি বালু  মহালের ইজারাদার ইমতিয়াজ ফারুকী জানান আমাকে ইজারা দেওয়ার সময় সরকারিভাবে আইন সহযোগিতা দেওয়ার কথা এবং এবং উত্ত পয়েন্টে যে যে পরিমাণ বালু  উত্তোলন হওয়ার কথা বলে ইজারা দেওয়া হয়েছে তার চার ভাগের এক ভাগও বালু  নেই । আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অন্যদিকে চাঁদাবাজি , হুমকি অবৈধ বালু বিক্রি কেন্দ্রগুলোর বিষয়ে প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে আমি সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করে আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবে।

আব্দুস সাত্তার টিটু চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি 

No comments