সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজ,কিশোর গ্যাং এবং ইভটিজারদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে :ফেনীতে জামায়াত ডা. ফখরুদ্দিন
দাগনভূঞায় সাম্প্রতিক ডাকাতি, ইভটিজিং, এবং কিশোর গ্যাং-এর ঘটনার শিকার ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন ডা. মো. ফখরুদ্দিন মানিক।
এ সময় ডা. মানিক বলেন,“সন্ত্রাসীরা সন্ত্রাসীই। চাঁদাবাজ, মাস্তান এবং কিশোর গ্যাং সদস্যদের কোনো দল নেই। এদেরকে দল-মত নির্বিশেষে সন্ত্রাসী ও অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে প্রশাসন, সমাজের সব শ্রেণির মানুষ এবং পরিবারগুলোকে আরও সচেতন ও সতর্ক হতে হবে। প্রত্যেক অভিভাবককে তাদের সন্তানের দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে নিতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “জামায়াতে ইসলাম যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে দেশ থেকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাস্তানি ও কিশোর গ্যাং সংস্কৃতি সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা হবে।”
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দাগনভূঁঞা উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এ এস. এম. নুর নবী দুলাল, বর্তমান উপজেলা আমীর মাওলানা গাজী সালেহ উদ্দিন, উপজেলা সেক্রেটারি কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী, ৮নং জায়লস্কর ইউনিয়ন আমীর মাওলানা সাইফুল ইসলাম, ২নং রাজাপুর ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আব্দুজ্জাহের, জায়লস্কর ইউনিয়ন সেক্রেটারি ফখরুল ইসলাম মামুন, ছাত্রশিবির সিলোনিয়া মডেল শাখার সভাপতি তানভীর মিশকাত এবং অন্যান্য জামায়াত ও শিবির নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর সিলোনীয়ার চানপুর রোড এলাকায় ডাকাতি এবং হত্যা প্রচেষ্টার ঘটনা ঘটে।এ ঘটনায় দুর্বৃত্তরা ভিক্টিম আযাদের কাছ থেকে ৫ ভরি স্বর্ণ, একটি মোবাইল ফোন এবং প্রায় ২ লাখ টাকা লুট করে এবং তাকে ছুরিকাঘাতে মারাত্মক আহত করে।২৬ সেপ্টেম্বর স্থানীয় কিছু উশৃংখল এবং বিপথগামী কিশোর জনৈক হারুন ও তার মেয়ে জামাইয়ের সামনে মেয়ের শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে এবং বাধা দিতে আসলে তাদের উপর আক্রমণ । এই উভয় ঘটনায় মামলা দায়ের করা হলেও উল্লেখযোগ্য কোন অগ্রগতি না হওয়ায় এলাকায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।এছাড়া গত ২৬ সেপ্টেম্বর দাগনভূঁঞা বাজারে কিশোরগ্যাং এর সদস্যরা ৩ জন ছাত্রকে মারাত্মক আহত করে।
ডা. ফখরুদ্দিন মানিক এসব ঘটনার দ্রুত বিচার ও কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান এবং প্রশাসনের পাশাপাশি সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
মোহাম্মদ ইসমাইল, ফেনী জেলা প্রতিনিধি

No comments