প্রতিবেশীর সাথে জমি বিরোধের জেরে রাঙ্গুনীয়ার মামলায় ফাসাঁনোর অভিযোগ
চট্রগ্রাম রাঙ্গুনীয়া উপজেলার মগাছড়ির পৃথক দু’টি ঘটনায় পেকুয়া থেকে পিতা-পুত্রকে মিথ্যাভাবে আসামী করার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পিতা-পুত্র হলেন, পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের সিকদার পাড়া এলাকার মৃত জাফর আহমদের পুত্র গিয়াস উদ্দিন (৫৫) ও তার কলেজ পড়–য়া পুত্র আদর মিয়া (২২)। আদর মিয়া বাশঁখালী সরকারি আলাওল কলেজের ডিগ্রী ৩য় বর্ষের ছাত্র।
জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৬শে মে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ইসলাম পুর ঠান্ডামিয়া এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আনু মিয়ার পুত্র মোহাম্মদ রফিক একই এলাকার আওয়ামীলীগ ও স্থানীয় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক ঘটনার বিবরণ দিয়ে চট্টগ্রাম সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ২য় আদালত চট্টগ্রামে মামলা রুজু করেন। যেখানে পেকুয়ার পিতাপুত্রসহ মোট ৯০ জনের নামোউল্লেখ করেন আরো ৫০/৬০জনকে অজ্ঞাত আসামী করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি তদন্ত করতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রামকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
পেকুয়া থেকে উক্ত মামলায় আসামী হওয়া গিয়াস উদ্দিন ও তার পুত্র আদর মিয়া অভিযোগ করে বলেন, মামলায় বাদীর আনিত অভিযোগের বিষয়ে জানার তো দূরের কথা, আমরা কখনো রাঙ্গুনীয়া গেছি কিনা তাও সন্দেহ। গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমি বয়স্ক মানুষ কৃষি কাজ করে সংসার চালাই আমাদের বিরুদ্ধে মামলার কথা পেকুয়া থানা পুলিশের মাধ্যমে জানতে পারলাম। রাঙ্গুনীয়ায় গিয়ে আমরা অবৈধ মাটি কাঠা বা মাটির কাটতে না দিলে চাঁদা দাবী করা কিংবা মারধর করা আমাদের দ্বারা জীবনেও সম্ভব? আর ১৯ সালে আমার ছেলে ইন্টার প্রথম বর্ষে পেকুয়া শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজে ভর্তি হয়েছিলো মাত্র। মুলত এটি আমাদের পাশের প্রতিবেশীর সাথে আমাদের ভিটাবাড়ি নিয়ে বিরোধ চলছিলো তারাই আমাদেরকে রাঙ্গুনীয়ার একটি মামলায় হয়রানী করার জন্য মিথ্যা আসামী করেছে।
তার পুত্র কলেজ ছাত্র আদর মিয়া বলেন, আমরা রাঙ্গুনীয়ায় গিয়ে জমির মাটি কাটবো, কাটতে বাঁধা দিলে মারধর করবো বা চাঁদা দাবী করবো এটা পাগলেও বিশ^াস করবে না। এটি মুলত আমাদের বাড়ির পাশের লোকজন আমাদেরকে হয়রানী করতে রাঙ্গুনীয়ার মামলায় জড়িয়ে দিয়েছে শুধু তাই নয় তারা আমাদেরকে বিভিন্ন জায়গায় আরো মামলায় জড়াবে বলে হুমকি দিচ্ছেন। আমরা গরীব মানুষ কোনো রাজনীতিও করিনা, অনেক কষ্ট করে সংসার চালাই। আমি হলফ করে বলতে পারবো এই মামলার বাদী বা সাক্ষীগণ আমাদেরকে দেখলেও চিনবেনা, কখনোই দেখা বা চেনার কথা নয়। আমরা দয়া করে এই হয়রানী থেকে মুক্তি চাই।
রাজাখালী ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান শহিদ সাইফুল্লাহ বলেন, গিয়াস উদ্দিন ও তার পুত্র আদর মিয়া রাজাখালীর স্থায়ী বাসিন্দা। তারা মুলত গ্রামের খেটে খাওয়া শান্তি প্রিয় মানুষ, তাদের বিরুদ্ধে অপরাধমুলক কোনো খবর কখনো শুনা যায়নি।
পেকুয়া প্রতিনিধি

No comments